ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় নাগরিক পার্টির ধর্মপাশায় নতুন সমন্বয় কমিটি। বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়েঐতিহ্যের ধারায় প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আত্মসামাজিক উন্নয়নের লক্ষে,ধর্মপাশায় প্রবাসী উন্নয়ন সমিতির কার্যালয় উদ্বোধন। ধর্মপাশায় ‘নাগরিক অধিকার আন্দোলন’-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন অনলাইন জুয়া ও পর্নোগ্রাফি বিজ্ঞাপনের প্রতিবাদে থানায় অভিযোগ প্রবাসীদের অর্থায়নে বড়ইআটি(কাইয়ুম নগর)মিনি নাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত। যথাযোগ্য মর্যাদায় ধর্মপাশায় মহান বিজয় দিবস পালিত। কলমাকান্দা পূর্ব বাজারে লরির চাপায় নারী নিহত ৯ই ডিসেম্বর বেগম রোকিয়া দিবস২০২৫ পালিত হয় কলমাকান্দায় উৎসবমুখর পরিবেশে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়েঐতিহ্যের ধারায় প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়েঐতিহ্যের ধারায় প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত হয় এ আয়োজন।
বিদ্যালয়টি ১৯৫০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছর আয়োজন করে আসছে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার। এবারও বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় এলাকাবাসীর মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মশাল প্রদক্ষিণ ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ধর্মপাশা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব জনি রায় পতাকা উত্তোলন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মাহবুবুল কবীর।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল মেয়েদের অসাধারণ ডিসপ্লে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্পসহ বিভিন্ন ট্র্যাক ও ফিল্ড ইভেন্ট। শিক্ষার্থীদের উদ্দাম শক্তির প্রকাশ ঘটে প্রতিটি প্রতিযোগিতায়।
প্রধান অতিথি জনাব জনি রায় তার বক্তব্যে বলেন, “এরকম অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে শারীরিক কসরত এবং খেলাধুলার বিকল্প নেই।” তিনি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিষ্ঠানের অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। এলাকার ক্রীড়ামোদী মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করেছিল উৎসবমুখর।
সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের ভূমিকা অপরিসীম।” তিনি সকলের সহযোগিতায় সফলভাবে আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয়দের মতে, বছরের পর বছর ধরে চলা এই ক্রীড়া আয়োজন শুধুমাত্র একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান নয়, বরং পুরো এলাকার একটি সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাসে মুখরিত ছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সারাদিন।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
আপডেট সময় : ০৩:০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১১২ Time View

বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়েঐতিহ্যের ধারায় প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আপডেট সময় : ০৩:০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়েঐতিহ্যের ধারায় প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাদশাগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে সফলভাবে সমাপ্ত হয় এ আয়োজন।
বিদ্যালয়টি ১৯৫০ সাল থেকে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছর আয়োজন করে আসছে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার। এবারও বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় এলাকাবাসীর মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মশাল প্রদক্ষিণ ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ধর্মপাশা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব জনি রায় পতাকা উত্তোলন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জনাব মাহবুবুল কবীর।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল মেয়েদের অসাধারণ ডিসপ্লে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্পসহ বিভিন্ন ট্র্যাক ও ফিল্ড ইভেন্ট। শিক্ষার্থীদের উদ্দাম শক্তির প্রকাশ ঘটে প্রতিটি প্রতিযোগিতায়।
প্রধান অতিথি জনাব জনি রায় তার বক্তব্যে বলেন, “এরকম অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমি আনন্দিত। ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে শারীরিক কসরত এবং খেলাধুলার বিকল্প নেই।” তিনি প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিষ্ঠানের অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। এলাকার ক্রীড়ামোদী মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি অনুষ্ঠানকে করেছিল উৎসবমুখর।
সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নয়নে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের ভূমিকা অপরিসীম।” তিনি সকলের সহযোগিতায় সফলভাবে আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
স্থানীয়দের মতে, বছরের পর বছর ধরে চলা এই ক্রীড়া আয়োজন শুধুমাত্র একটি বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান নয়, বরং পুরো এলাকার একটি সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর উচ্ছ্বাসে মুখরিত ছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সারাদিন।